বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় আসছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দার এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর।
বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শেষ বিদায়ে অংশ নিতে ঢাকায় আসছেন দক্ষিণ এশিয়ার দুই প্রভাবশালী প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বাদ জোহর জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় অনুষ্ঠিতব্য জানাজায় তাঁরা উপস্থিত থাকবেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে আগামীকাল সকালে ঢাকা পৌঁছাবেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, জয়শঙ্কর ভারত সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।
অন্যদিকে, পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দার একটি বিশেষ ফ্লাইটে বুধবার সকালে ঢাকা পৌঁছাবেন বলে নিশ্চিত করেছে ঢাকাস্থ পাকিস্তান হাইকমিশন। উল্লেখ্য, চলতি বছরের আগস্ট মাসেও তিনি ঢাকা সফরকালে বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন।
জানাজায় শুধু ভারত বা পাকিস্তান নয়, দক্ষিণ এশিয়ার আরও কয়েকটি দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন। নিশ্চিত হওয়া গেছে যে:
ভুটান: দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডিনএন ধুঙ্গেল জানাজায় অংশ নেবেন।
মালদ্বীপ: দেশটির রাষ্ট্রপতির বিশেষ দূত ও উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী আলী হায়দার আহমেদ উপস্থিত থাকবেন। এছাড়াও চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা এই জানাজায় অংশ নিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন।
মঙ্গলবার ভোর ৬টায় বেগম জিয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই বিশ্বজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।
যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য: পৃথক বার্তায় খালেদা জিয়ার সাহসী নেতৃত্ব এবং বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্র পুনর্প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদানের কথা স্মরণ করেছে।
পাকিস্তান: প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বেগম জিয়াকে ‘একজন অদম্য সাহসী নেত্রী’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
ভারত: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শোক বার্তায় ২০১৫ সালে ঢাকা সফরকালে তাঁর সঙ্গে হৃদ্যতাপূর্ণ সাক্ষাতের স্মৃতিচারণ করেন।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭৯ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন বেগম খালেদা জিয়া। রাজনীতিতে ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে পরিচিত এই নেত্রীর প্রয়াণকে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো ‘একটি যুগের অবসান’ হিসেবে বর্ণনা করছে। গণতন্ত্র রক্ষা ও জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে তাঁর আপসহীন অবস্থান তাঁকে বিশ্বদরবারে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল।
আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে *
অফিস (বাংলাদেশ) : ক-২৭১, ১০ম তলা, রংধনু কর্পোরেট অফিস, কুড়িল বিশ্বরোড, ঢাকা-১২২৯
ই-মেইল : info@newstime.net
Creating Document, Do not close this window...